fbpx

আপনি কি কখনো ভেবে দেখেছেন বড় বড় ই-কমার্স সাইট গুলো কিভাবে মাসে মাসে লাখ টাকার ব্যবসা করে? তাদের প্রসেসটা কি?

নিশ্চয়ই ভাবছেন তাদের বাজেট বেশি, অনেক স্টাফ রয়েছে আছে ইত্যাদি। কিন্তু ব্যাপারটা আসলে তেমন কিছুই না এবং এর সাথে বাজেটের কোন সম্পর্ক নেই।

তাদের সবারই Marketing Strategy এবং Operation স্টাইলের মৌলিক কিছু বিষয় একই

মৌলিক বিষয় গুলো কি কি জানার আগে, আপনাকে একটি বিষয়ে নজর দিতে হবে।

নিচের স্ক্রীনশট গুলো খেয়াল করুন –

Niche: Footwear
Niche: Beauty (Costmetics)
Niche: Clothing

প্রত্যেকটি স্ক্রিনশটে এক একটি ই-কমার্স ওয়েবসাইট এর ড্যাশবোর্ড দেখা যাচ্ছে। এই সবগুলোই রানিং ই-কমার্স সাইট। আপনিও কি চান না মাসে আপনার এরকম সেলস হোক?

উপরের সবগুলো ব্যবসার মধ্যে দুইটা জিনিস কমন আছে।

১. তারা ক্যাটালগ এর মাধ্যমে পণ্য বিক্রি করে


২. তারা ই-কমার্স ওয়েবসাইটের মাধ্যমে অর্ডার ম্যানেজ করে


ক্যাটালগ এড কি?

ফেইসবুক এ আপনি নিশ্চয়ই খেয়াল করেছেন স্লাইডিং অনেক এড আসে। এই এডগুলো ক্যাটালগ এর মাধ্যমে রান করা হয়। ক্যাটালগ এর মাধ্যমে অ্যাড রান করলে আপনি অনেক বেশি ইনভেন্টরি (পণ্য) একই সাথে ফেসবুকে দেখাতে পারবেন। প্রত্যেকটা পণ্যের জন্য আলাদা আলাদা অ্যালবাম করে বুষ্টিং করার প্রয়োজন হবে না

ক্যাটালগ এড এর ক্ষেত্রে ফেইসবুক তার Artificial Intelligence ব্যবহার করে আপনার এডগুলো Right কাস্টোমারদের কাছে পৌঁছে দিবে। এতে আপনার কাস্টমারে যেরকম তাদের পছন্দের আইটেমটা দেখতে পাবে একই সাথে আপনার এড এর খরচ অনেক কমে আসবে।

ক্যাটালগ ঠিক মতো ম্যানেজ করার জন্য আপনার অবশ্যই একটা ওয়েবসাইট দরকার। যেখানে থেকে ক্যাটালগের Feed স্বয়ংক্রীয় ভাবে ফেসবুকের সাথে কানেক্টেড থাকবে। স্টকের হিসাব আলাদা করে আপডেট করা লাগবে না।

বড় বড় ই -কমার্স প্লেয়াররা ঠিক এভাবেই তাদের পণ্যগুলোর এড দিয়ে থাকে।

খেয়াল করবেন, ক্যাটালগ এড চালাতে কোনো মিনিমাম বাজেটের বাদ্ধবাধকতা নেই। আপনার এড বাজেট যেমনই হোক না কেন ক্যাটালগ ফিড সেট করা থাকলে আপনি ক্যাটালগ ড রান করতে পারবেন।


ফেইসবুক পেজ থাকতে ই -কমার্স কেন?

ই-কমার্স শুনলেই আমাদের কাছে একটা কঠিন জিনিস মনে হয়। আমাদের ভিতরে একটা ভয় কাজ করে।

কিন্তু অনলাইনে ব্যবসা বড় করতে চাইলে ই -কমার্সের কোনো বিকল্প নেই।

শুধু পেজ থেকে ব্যবসা করলে আমাদের অনেক সীমাবদ্ধতা থাকে –

❌ পেজ বা ফেইসবুক কোনো কারণে বন্ধ থাকলে ব্যবসাও বন্ধ

❌ বেশি অর্ডার পড়লে মেসেজের মধ্যে ট্রাক রাখা যায়না তাই অর্ডারে প্রচুর ভুল-ভ্রান্তি হয়

আপনার যখন দিনে 100 টার বেশি অর্ডার পড়বে তখন আপনি সেটা পেইজ থেকে ঠিক মতো ম্যানেজ করতে পারবেন না।

❌ কাস্টমার অর্ডার না করে করে চলে গেলে তাদেরকে আর পাওয়া যায় না

❌ Up Sell করা সম্ভব না। যেমন- শাড়ির সাথে চুরি অথবা জুতার সাথে মুজা

❌ কাস্টমারদের আলাদা আলাদা ডিসকাউন্ট দেওয়া যায় না

Right Approach নিয়ে এগিয়ে গেলে ই-কমার্স অনেক সহজ। তখন আপনি নিজেই আফসোস করবেন কেন আরো আগেই ই-কমার্স সাইট শুরু করলেন না।


ই-কমার্স ওয়েবসাইট নিয়ে কিছু ভুল ধারণা

একদম ভুল কথা। ই-কমার্সে অর্ডার না পেলে চালডাল, Daraz, রকমারি, Gadget&Gear, ষ্টারটেকের মতো কোম্পানিগুলো ই-কমার্স সাইট না বানিয়ে পেজেই ব্যবসা করতো। আপনি নিজেও এই সাইটগুলো থেকে অর্ডার করেছেন এবং অর্ডার ট্র্যাকও করেছেন।
আপনি নিশ্চয়ই ডেভলপার না? তাহলে এই বিষয়গুলো নিয়ে এত মাথাব্যথা কেন? Angular না React? Laravel না Django? এই গবেষণা করে আপনার ব্যবসার কি কোনো লাভ হচ্ছে?

আপনার দরকার একটি ফাস্ট ই-কমার্স ওয়েবসাইট এবং রেডি সাপোর্ট – যাতে কোনো রকম টেকনিক্যাল ঝামেলা আপনাকে না নিতে হয়। আপনি আপনার ব্যবসায় মনোযোগ দিতে পারেন। যে আপনাকে এই সার্ভিসটা দিতে পারবে আপনি তার সাথেই যাবেন।

মনে রাখবেন ই-কমার্স সাইট বানাতে গিয়ে আপনি নিজেই যদি আধা ডেভেলপার হয়ে যান, তার মানে আপনি আপনার মূল ব্যবসার দিকে মনোযোগ দিচ্ছেন না।
আপনি যদি এভাবে আপনার সাইট বানাতে চান, তাহলে আমি আরো ভালো বুদ্ধি দেই। খরচ অনেক কম হবে।

আপনি themeforest এ যান, সেখান থেকে ২,০০০-৪,০০০ টাকায় ই-কমার্স টেমপ্লেট কিনে নিন। তারপর কোনো হোস্টিং কোম্পানীকে বলেন টেমপ্লেটটি সেটআপ করে দিতে। তারা হোস্টিং বিল বাবদ একটা ছোট চার্জ নিবে। ব্যাস নিজের ই-কমার্স ওয়েবসাইট হয়ে গেলো।

কিন্ত, এভাবে আর যাই হোক ব্যবসা হবে না।

হতে পারে আপনি মাসে ৫,০০০ টাকা লসও করতে পারেন।

কিভাবে?

১. এভাবে বানানো সাইটগুলো অনেক slow হয়। Google -এর গবেষণায় দেখা গিয়েছে
ওয়েবসাইট লোড হতে ৬ সেকেন্ড এর বেশি লাগলে ৫০% ভাগ মানুষই সাইট থেকে চলে যায়। তার মানে আপনি যখন এড দিবেন তখন আপনার অর্ধেক ক্রেতাই সাইট লোড হবার আগেই চলে যাবে। আপনি যদি মাসে ২০ হাজার টাকার এড দেন এর মধ্যে অর্ধেক মানে ১০,০০০ টাকাই লস।

২. সাইট হ্যান্ডওভারের পরে কোনো চেঞ্জ করতে গেলে আপনাকে অনেক ঝামেলা পোহাতে হবে। তাই আপনি ঈদ বা অন্য উৎসবের জন্য সাইটের ডিজাইন আপডেট করতে পারবেন না।

৩. আপনার সাইটের কোনো মেইনটেনেন্স বা আপগ্রেড হবে না। কারণ আপনি এক কালীন টাকা দিয়ে সাইট কিনেছেন কোনো সার্ভিস কন্ট্রাক্ট করেননি।

অত্যন্ত দুঃখের বিষয় হচ্ছে এই বিষয়গুলো এতো এতো বার হয়েছে তারপরও এ বিষয়ে সচেনতনতা তৈরী হয়নি।

আমি আশা করি, আপনি এই ভুল গুলো করবেন না।

ভালো ই-কমার্স সাইট বানাতে খরচ বেশি (কিন্তু উপায় আছে)

কথা সত্য।

ব্যাপারটা আমি একটু ঘুরিয়ে বলি, ধরুন আপনি মার্কেটে একটি দোকান নিবেন। মার্কেটের দোকান নেওয়ার ক্ষেত্রে আপনার যদি সামর্থ্য থাকে সেক্ষেত্রে আপনি হয়তো দোকান কিনে নিবেন না হলে ভাড়া নেবেন। খরচ বাঁচাতে গিয়ে আপনি নিশ্চয়ই কুঁড়েঘর বা জনসমাগম নেই এরকম একটা জায়গায় দোকান দিবেন না।

ই-কমার্স ওয়েবসাইট বানানোর ক্ষেত্রে ব্যাপারটা ঠিক তেমন। খরচ বাঁচাতে গিয়ে আপনি যদি নিম্নমানের ওয়েবসাইট বানান সেটা আপনার কোন কাজেই আসবে না।

তাহলে কি করা যায়?

আপনি মাসিক সার্ভিস চার্জ দিয়েও ই-কমার্স সাইট চালাতে পারেন। এই রকম সার্ভিসকে Software-as-a-Service বা SaaS বলা হয়। বিশ্বব্যাপী এটি খুবই পপুলার মডেল। আপনি হয়তো Canva, InShot, ইত্যাদি এপস এর সাথে পরিচিত। প্রত্যেকটি SaaS সার্ভিস।

মাসিক সার্ভিস চার্জ দিয়ে ই-কমার্স সাইট ব্যবহার করলে-

✅ কোনো ডেভলপমেন্ট চার্জ বা এককালীন খরচ নেই

✅ সার্ভিসটি যখন খুশি তখনই বন্ধ করতে পারবেন

আপনি যদি নতুন ই-কমার্স সাইট বানাতে চান সেক্ষেত্রে একবারে ১-২ লাখ টাকা না খরচ করে শুধু নাম মাত্র মাসিক চার্জ দিয়েই ই-কমার্স সাইট চালিয়ে দেখতে পারেন। এতে আপনার সময় ও টাকা দুইই বাঁচবে।


শুধুমাত্র মাসিক সার্ভিস চার্জ দিয়ে

ই-কমার্স সাইট চালাতে চান ?

নিচের ফর্মটি পূরণ করে নিন।

আমাদের Client Success Analyst আপনার সাথে যোগাযোগ করবে।

    ব্যক্তিগত তথ্য




    ব্যাবসা সংক্রান্ত তথ্য



    আপনি কি ফেইসবুকে এড রান করেন? *

    আপনার কি ফেইসবুক বিজনেস একাউন্ট আছে? *

    আপনার নিজের ডোমেইন আছে? *